বাড়িওয়ালার রাগী মেয়ে পর্বঃ ৮
তা হঠাৎ কেনো মনে পড়লো জানতে পারি? আগে তো আমি ম্যাসেজ দিলেও রিপ্লাই দিতেন না।
রবিঃ আবার কি কারন থাকতে পারে? ব্লক লিস্ট চেক করছিলাম তখন দেখলাম। ব্লক খুলেছি বলে খুশি হননি?
হায়াতিঃ তা না। হঠাৎ তো তাই।
রবিঃ তাহলে কি আবার ব্লক দিবো।
হায়াতিঃ এতো বেশি বুজেন কেনো? আমি কি বলেছি
রবিঃ তো কেমন আছেন বলেন?
হায়াতিঃ ভালো। আপনি কেমন আছেন?
রবিঃ আছি মোটামুটি।
হায়াতিঃ কেনো কি হয়েছে?
রবিঃ কিছু না।
হায়াতির সাথে অনেকখন কথা বললাম। যে করেই হোক এই মেয়েরে পটাতে হবে।
সকালে গেট দিয়ে বের হবো এর ভিতরে রিধিও বের হয়েছে। ধ্যাত সকাল সকালই ওর মুখ দেখতে হলো আজকে দিনটা মনে হয় খারাপই যাবে।
রিকাশার জন্য দাঁড়িয়ে আছি। হঠাৎ একটা রিকশা দেখলাম আমি ডাক দিলাম এর ভিতর রিধিও ডাক দিলো।
আমি আগে রিকশায় উঠে বসে পড়লাম। তারপর রিকশাওয়ালাকে যেতে বললাম।
রিধিঃ যাবে মানে? ওই তুই নাম রিকশা থেকে। আমি আগে ডাক দিয়েছি তাই আমি যাবো।
রবিঃ বললেই হলো। আমি আগে ডাক দিয়েছি। এই মামা চলেন তো
রিধিঃ কেও কোথাও যাবে না। তুই নাম রিকশা থেকে তা না হলে কিন্তু ভালো হবে না।
রবিঃ আমি নামতেছিনা রিকশা থেকে। কি খারাপ হবে শুনি?
আমাদের ঝগড়া করতে দেখে রিকশাওয়ালা বললো, মামা আপনারা ঝগড়া কইরেন না। দুইজনে একসাথে গেলেই তো হয়।
রিধিঃ আমি ওর সাথে যাবো না
রবিঃ আমারও তোর সাথে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই।
রিকশাওয়ালাঃ কি আর করার তাহলে আপনারা দুজনেই থাকেন আমিই চলে যাই।
কোনো উপায় না পেয়ে রবির সাথে এক রিকশায় আসতে হলো। এতো সকালে এখন রিকশাও পাবো না অনেক দূর হেঁটে যেতে হবে।
রবিঃ দুজনে রিকশায় বসে আছি। মাঝখানে ভারত - বাংলাদেশের বর্ডার। তা কে যেনো বলেছিলো আমার সাথে একসাথে যাবে না
রিধিঃ উফ! অসয্য একটা। আজকে দিনটাই খারাপ যাবে।
রবিঃ আমার তো ইতিমধ্যে খারাপ যাচ্ছে।
হঠাৎ হায়াতি কল দিলো। কি টাইমিংরে বাবা। এটাই তো চেয়েছিলাম।
-- কি করতেছো?
রবিঃ রিকশায় বসে আছি। কলেজে যাইতেছি। তুমি কি করো?
-- আমি বসে আছি।
রবিঃ আজকে দিনটাই খারাপ যাবে
-- কেনো কি হয়েছে?
রবিঃ আর বলো না। সকাল সকাল ঝামেলা
রিধিঃ ওই তুই কথা বলা বন্ধ করবি
রবিঃ আমি কথা বললে তোর সমস্যা কি?
রিধিঃ আমার পাশে বসে কেনো বলবি। তুই রিকশা থেকে নেমে ইচ্ছামত কথা বল।
রবিঃ আমি তোমাকে পরে কল দিচ্ছি।
কিছুখন পর
দিশাঃ এভাবে চুপচাপ বসে আছিস কেনো?
রিধিঃ সকাল সকাল ওই ফাজিলটার সাথে ঝগড়া করতে হলো।
দিশাঃ তোরা কি ঝগড়া করা ছাড়া থাকতে পারিস না
রিধিঃ ওই তো আগে শুরু করলো।
মিমঃ রিধি দেখ একটা ছেলে অনেকখন ধরে তোর দিকে তাকিয়ে আছে।
দিশাঃ চলতো কিছু বলে আসি
রিধিঃ ডাক দে তো ছেলেটাকে।
তাকিয়ে ছিলি কেনো?
-- না মানে --
রিধিঃ কি না মানে করছিস। আগামী ১০ দিন তুই আমার বয়ফ্রেন্ড। ঠিক আছে।
-- না মানে --
রিধিঃ আবার না মানে। ওই তুই কি না মানে ছাড়া কিছু পারিস না।
দিশাঃ হাহা। ছেলেটার দিকে তাকিয়ে দেখ কতটা ভয় পেয়ে গেছে।
রিধিঃ ১০ দিন কলেজে এসে প্রতিদিন আমার সাথে কথা বলবি। আমি যা বলবো তা করবি। কি হলো কথা বলছিস না কেনো?
-- না মানে --
রিধিঃ ধ্যাত, যা তো। আর যা বললাম মনে থাকে যেনো।
দিশাঃ তোর মাথা ঠিক আছে তো? কি করতে চাইছিস বলতো?
রিধিঃ বয়ফ্রেন্ড বানালাম
মিমঃ এরকম করে কেও বয়ফ্রেন্ড বানায়
রিধিঃ আমি বানাই। রবির কাছে কিছুতেই হারা যাবে না । ওর গার্লফ্রেন্ড আছে তাই আমারও বয়ফ্রেন্ড থাকতে হবে।
দিশাঃ তোরা দুজনে কি শুরু করেছিস তা তোরাই ভালো জানিস। দুজনের মাথায়ই সমস্যা আছে
Comments
Post a Comment